প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 13, 2026 ইং
লোহাগাড়ায় চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ভরাট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

আব্দুল ওয়াহাব লোহাগাড়া চট্টগ্রাম:চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাট প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
প্রায় ২লাখ ৩৮হাজার ২২৬ টাকার ওই প্রকল্প থেকে লাখ টাকার মত কাজ করলেও বাকি টাকার কোন খবর নেই।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ১% (প্রথম পর্যায়ে) তালিকায় দুই লাখ ৩৮হাজার ২২৬ টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু এতে অর্ধেকের বেশি টাকা মাটি ভরাট করে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
সূত্রে জানা গেছে , চরম্বা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ১% (প্রথম পর্যায়ে) তালিকায় দুই লাখ ৩৮হাজার ২২৬ টাকা দেওয়া হয়। ২০২৬সালের জানুয়ারি মাসের দিকে ৫০/৬০ গাড়ি মাটি দিলেও মাঠে আর কোন ধরণের মাটি ভরাট করেনি। প্রকল্পের পুরো বরাদ্দের কাজটি করা হয়নি।
স্কুলের নবম শ্রেনীর শিক্ষার্থী মোঃ মিনহাজ বলেন, এ বছরের জানুয়ারি মাসের দিকে আমাদের স্কুলের মাঠে কিছু মাটি ভরাট করলেও পুরো কাজটি করা হয়নি। আমাদের মাঠের সৌন্দর্যের জন্য মাঠের কাজটা সম্পুর্ণ করা জরুরি।
বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমি যখন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলাম, ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ হইতে স্কুলের মাঠ ভরাটের কাজ চলে।আমরা শুনেছি বরাদ্দ বড় হলেও কাজ তেমন হয়নি। মাঠে ৫০/৬০ গাড়ির মত মাটি ফেলা হয়েছে।
স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) পবন কান্তি দত্ত বলেন, আমি কিছুদিন হলো দায়িত্ব নিয়েছি। স্কুলের মাঠের প্রকল্পের সব টাকার কাজ হয়নি।ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দ হইতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাদ্দের ব্যবস্থা করেন। এখানে ২লাখ ৩৮টাকার বরাদ্দের কোন কাজ হয়নি। মোটেই মাঠে ৫০/৬০ গাড়ি মাটি ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তিনি শুনেছেন মাটি ভরাটের সময় একটু ঝামেলাও হয়েছিল এরপর থেকে মাঠে কোন ধরণের আর কোন মাটি ফেলা হয়নি।
এ ব্যাপারে চরম্বা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সৈয়দ হোসেন বলেন, আমি বরাদ্দের পুরো টাকার কাজ করেছি। এখানে কোন ধরণের প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করা হয়নি।এটি আমাদের স্কুল।শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমার অনেক টান রয়েছে। প্রয়োজনে দ্রুত সময়ে আরও ৩০/৪০ গাড়ির মত মাটি ফেলে ভরাট করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি। প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম ও অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ প্রকল্পের বরাদ্দ হতে স্কুলের মাটি ভরাট কাজে অনিয়ম হলে প্রকল্পের সংশ্লিষ্ঠ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট